Advertising
hemel
Advertising
hemel

বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের পিছনে মূল নেপথ্যকারী ছিলেন খুনি জিয়াউর রহমান – হানিফ

আল কাওছার, ইবি প্রতিনিধি: আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া (তিন) আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, “বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের পিছনে মূল নেপথ্যকারী ছিলেন খুনি জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান এই হত্যাকান্ড সম্পর্কে আগে থেকে অবহিত ছিলেন। এই খুনি জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার করা হোক। তিনি এসময় ষোড়স সংশোধনী নিয়ে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিংহার করা সমালোচনা করেন। এই সংশোধনী বাতিল করে জাতীয় সংসদকে অবমাননা করা হয়েছে।”

রবিবার বেলা ১১ টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, “জিয়াউর রহমান থাকাকালীন যেভাবে হত্যাকান্ড চালানো হয়েছে সেটার ধারাবাহিকতা এখনো বিদ্যামান। জিয়াউর রহমান থাকাকালীন বহু নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছেন, বহু আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীকে হত্যা করেছেন। জিয়াউর রহমান মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরী খালেদা জিয়া এই পথ অনুসরণ করছেন। সেই পাকিস্থানী রাজাকার আল বদরদের নিয়েই উনি দেশে বার বার হত্যা ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছেন। বার বার জাতির প্রতি আঘাত হেনেছেন, বুদ্ধিজীবিদের শক্তিকে ধ্বংস করার চেষ্ঠা করেছেন, বুদ্ধিজীবিদের চেতনাকে ধ্বংস করার চেষ্ঠা করেছেন। একি কায়দায় রাজাকার আল বদরদের গাড়ীতে জাতীয় পতাকা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সম্মানকে নষ্ট করেছেন।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আশকারী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ (এক) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল হাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা। স্বাগত বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শোক দিবস উপ-কমিটির আহব্বায়ক প্রফেসর ড. মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন। এছাড়াও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি মোঃ শাসছুল ইসলাম জোহা ও সহায়ক কর্মচারী সমিতির সভাপতি উকিল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানের যৌথ সঞ্চালনায় ছিলেন ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ সাইদুর রহমান ও আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আরমিন খাতুন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ হারুন উর রশিদ আশকারী বলেন, ‘ বঙ্গবন্ধুর উপর উচ্চতর গবেষনার জন্যে প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু চেয়ার স্থাপন করা উচিত। তিনি আরো বলেন, এক সময় এই ক্যাম্পাস স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির পদচারনায় মুখরিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে এই ক্যাম্পাসকে রাজাকার মুক্ত করার চেষ্ঠা চলছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির শেষ চিহ্নটুকু থাকা পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবে।

Related posts