Advertising
hemel
Advertising
hemel

ফুলপুরে বেগুনের বাম্পার ফলন

সেলিম রানা, ফুলপুর প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ৩নংভাইটকান্দি ইউনিয়ন শুনই গ্রামের বেগুনের বাম্পার ফলন হয়েছে।সেই সাথে দাম ভাল পাওয়াই কৃষকও খুশি । অধিক লাভ জনক হওয়াই ধান ছেড়ে বেগুন চাষে ঝুকছে এই উপজেলার কৃষকরা বেগুন চাষ করে একদিকে কৃষকরা যেমন আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে অন্যাদিকে দেশের মানুষের পুষ্ঠি ও সবজির চাহিদা পুরনে উল্লখযোগ্য ভৃমিকা রাখছেন।

এবিষয়ে জেলা এগ্রো সিস্টেম লিঃ এয়িায় ম্যানাজার হাবিবুর রহমান ইমরুল জানান ,এগ্রো সিস্টেম লিঃ এর পন্য প্লেয়ার + ফ্রেশটাফ ব্যাবহার করে বেগুনের ডগা ছিদ্র করে ও ফলছিদ্র করি পোকা মুক্ত বেগুন, এতে কৃষকরা বাম্পার ফলন পেয়েছে।

সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ফুলপুল উপজেলা ভাইটকান্দি ইউনিয়নের গুপ্তেরগাঁও ,চিলাগাই ,বড় শুনই ,ছোট শুনই,গ্রামের গত কয়েক বছর ধরে বোরো মৌসুমে তাদের জমিতে বোরো ধান চাষ না করে বেগুন চাষ শুরু করেছেন । অধিক লাভজনক হওয়ার এলাকায় প্রত্যেক কৃষকই নিয়ে ৮ কাঠা থেকে সর্বোচ্চ ৯ কাঠা পর্যন্ত জমিতে বেগুনের চাষ করেছেন। এসব এলাকায় মাঠে মাঠে এখন কেবল বেগুনের ক্ষেত ।

উপজেলার শুইন গ্রামের সিরাজুল হক ৮ ক্ঠাা জমিতে এবং গুপ্তোরগাঁ গ্রামের হাবি মিয়া ৬কাঠা জমিতে ,বাবুল মিয়া ১৫কাঠা জমিতে ,ফারুক ৪ কাঠা জমিতে বেগুনের চাষ করে সাবলম্ভী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। রফিকুল ইসলামসহ বেগুন চাষীরা জানিয়েছেন। বেগুন চাষে বোরো আবাদের চেয়ে পানি কম লাগে। সার ওশ্রমিক খরচ ও অনেক কম । তুলনামূলকভাবে বেগুনের বাজার মূল্য বেশী পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমান বাজার অনুযায়ী গড়ে প্রতি মন বেগুন পাইকারী পর্যায়ে বিক্রি করছেন ৮৫০ থেকে ৭০০টাকা। এতে কৃষকরা লাভবান হয়ে থাকেন।

বেগুন বিক্রি করতে কখনো কৃষকদের কষ্ট করে হাটে বাজারে যেতে হয় না। পাইকারী কাঁচা তরকারী ব্যবসায়ীরা সরাসরি ক্ষেত থেকে কিনে নগত টাকা দিয়ে যায়। এতে ও তারা অনেক বেশী লাভবান হচ্ছে।

Related posts