Advertising
hemel
Advertising
hemel

প্রাইভেট হাসপাতালে গেলেই সিজারিয়ান অপারেশনে খরচ কয়েকগুণ

বাংলাদেশে সরকারি হাসপাতালের চেয়ে বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনে খরচ প্রায় কয়েকগুণ বেশি। ঢাকায় একটি সরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনে খরচ পড়ে ৫ থেকে ১৫ হাজার টাকা। মাঝারি মানের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে খরচ হয় ৩০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। আর সিজারিয়ান পরবর্তী মা-শিশুর জটিলতার কারণে তা ৬০ থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠে।

এদিকে, নামীদামি হাসপাতালে সিজারিয়ান প্যাকেজ ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। সিজার পরবর্তী জটিলতায় যা ২ ছাড়িয়ে ৩ লাখে গিয়েও দাঁড়ায়! কোনো কোনো হাসপাতালে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা বিলেরও নজির রয়েছে। বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফি হেলথ সার্ভে অনুযায়ী, প্রাইভেট ক্লিনিকে ৮০ ভাগ শিশুরই জন্ম সিজারিয়ান অপারেশনে। আর নামী কিছু প্রাইভেট ক্লিনিকে এর হার ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ। এমন পরিসংখ্যানের পরও প্রসূতিকে সিজারিয়ান অপারেশনে বাধ্য করছেন-এ অভিযোগ মানতে নারাজ চিকিৎসকরা।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশিরভাগ বেসরকারি হাসপাতাল সেবার নাম করে চুটিয়ে ব্যবসা করছে। তবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে এটি সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। এজন্য দায়ী এক শ্রেণির মানুষের বিলাসিতা ও চিকিৎসকদের অপেশাদার মনোভাব। এমন নৈরাজ্য ঠেকাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া জরুরি বলে মনে করেন তারা। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জানালেন, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার স্বাস্থ্য সুরক্ষা নীতিমালা করছে। এ নীতিমালার মধ্যে বেসরকারি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। তিনি আরো বলেন, নিজ নিজ অবস্থান থেকে সোচ্চার হলে এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব।

Related posts