Advertising
Advertising

স্বপ্ন আর বিপুল সম্ভাবনার নতুন বছর শুরু

শীতের হিমল পরশ মেখে দুয়ারে হাজির ইংরেজি নতুন বছর।  বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন আয়োজনে ২০১৭ সালকে বরণ করেছে মানুষ। পুরাতন বছরের হতাশা, গ্লানি কিংবা দুঃখ ছাপিয়ে নতুন স্বপ্নে, নতুন প্রত্যাশায় ইংরেজি নববর্ষ উদযাপিত হচ্ছে সারাদেশে। নতুন বছরকে বরণ করে নিয়ে আয়োজনের পাশাপাশি ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ও মোবাইল ফোনে কাছের মানুষ, প্রিয়জন, স্বজন ও শুভার্থীদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনেকে।

এছাড়া সুন্দর ও সুখময় নতুন বছরের প্রত্যাশায় দেশবাসীকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ জাতীয় নেতারা।  পৃথক বাণীতে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন তারা।

এদিকে, নববর্ষ বরণে থার্টি ফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে পুরো রাজধানীজুড়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে যানবাহন ও চলাচল নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

পেছনে ফেলা আসা ২০১৬ সালটি বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এ বছরে দেশের অর্থনীতি, কৃষি ও পর্যটনের এসেছে ব্যাপক সাফল্য।  এ বছরে তথ্য-প্রযুক্তি খাতেও বলার মতো সাফল্য এসেছে। আগের বছরে রাজনৈতিক অঙ্গন বেশ উত্তপ্ত থাকলেও পুরো ২০১৬ জুড়ে রাজনীতিতে ছিল অনেকটাই স্থিতিশীলতা ছিল।

২০১৬ সালে কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে এসেছে দারুণ সাফল্য। এ বছর খাদ্যশস্যে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিদেশে রফতানি করা সম্ভব হয়েছে।  বিদায়ী বছরে জিডিপি রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে ৭ দশমিক ১১ ও মাথাপিছু গড় আয় হয়েছে ১৪৬৫ ডলার। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরির ঘটনাটি অর্থনীতির অগ্রযাত্রাকে কিছুটা ব্যাহত করেছে।

ফেলে আসা বছরে সবজি উৎপাদনে তৃতীয় ও মাছ উৎপাদনে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে বাংলাদেশ। এ সময়ে পেয়ারা উৎপাদনে প্রথম সারিতে জায়গা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। জামদানির স্বত্ত্বও নিশ্চিত হয়েছে এ বছরে। বছরটা দারুণ কেটেছে বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের অনন্য অর্জনের দিক দিয়েও। তবে হতাশ করেছে দেশের ফুটবল।

Related posts