Advertising
hemel
Advertising
hemel

গ্রেফতার শ্রমিকদের মুক্তিতে বিজিএমই ভবন ঘেরাও

রাজধানীর আশুলিয়ায় গ্রেফতার শ্রমিকনেতা সৌমিত্রসহ সবার নি:শর্ত মুক্তি এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিজিএমই ভবন ঘেরাও করলো বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি। সোমবার সকাল থেকে বিজিএমইএ ভবনের সামনে বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতিও কয়েকশ’ শ্রমিক এই কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ।

তখন বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপতি তাসলিমা আখ্‌তার ও সাধারণ সম্পাদক জুলহাস নাইন বাবুসহ শ্রমিক নেতারা ছিলেন। তখন শ্রমিক নেতারা আন্দোলনরত গার্মেন্টস শ্রমিকদের গ্রেফতার এবং মামলা প্রত্যাহার, কারখানাভিত্তিক দাবি-দাওয়া মেনে নেয়া, মজুরি বোর্ড গঠন করে ন্যূনতম মজুরি ১০,০০০ এবং মোট মজুরি ১৬,০০০ টাকা করার দাবি জানায়।

যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিজিএমই ভবনের সামনে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। অপরদিকে ৫ দিন পর আশুলিয়ায় বন্ধ থাকা ৫৯টি পোশাক কারখানা চালু হয়েছে। কাজেও যোগ দিয়েছেন শ্রমিকরা। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার থেকে খুলে দেয়া হয় বন্ধ থাকা পোশাক কারখানা। যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ।

রোববার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবং শ্রমিকদের অনুরোধে সার্বিক অর্থনৈতিক দিক বিবেচনা করে মালিকদের কারখানা খুলে দিতে অনুরোধ করেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পেরে ২০ ডিসেম্বর ৫৫টি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়। পরের দিন আরও ৪টি কারখানা বন্ধ করা হয়।

Related posts