Advertising
hemel
Advertising
hemel

ঢাকা ডায়নামাইটসের সাথে রাজশাহীর শ্বাসরুদ্ধকর জয়

লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৮৩। মুমিনুল হক সৌরভ  এবং সামিট প্যাটেলের ১০০ রানের জুটিতে জয়ের সুবাতাসই পাচ্ছিল রাজশাহী কিংস। এই জুটিতে মনে হচ্ছিল শেষ ওভারের আগেই খেলা শেষ করবে দলটি। কিন্তু ডোয়াইন ব্রাভোর দাপুটে বোলিংয়ে শেষ ওভারে গড়ায় খেলা। শেষ পর্যন্ত এক বল বাকি থাকতেই শ্বাসরুদ্ধকর এক জয় তুলে নিয়েছে রাজশাহী কিংস। ঢাকা ডায়নামাইটসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলতি আসরের দ্বিতীয় জয় তুলে নিল রাজশাহী কিংস।

১৮৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে গিয়ে ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরেন জুনায়েদ সিদ্দিকি ৪ রান করে।আর বড় রানা তাড়া করতে সাব্বিরের উপরই ভরসা ছিল রাজশাহী কিংসের। তবে এদিন ব্যর্থ হয় সাব্বির রহমান। ব্যক্তিগত সাত রানেই শহীদের বলে নাসিরের দুর্দান্ত এক ক্যাচে ফিরে যায় সাব্বির। দলীয় ৩১ রানে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া রাজশাহীর। তখন হাল ধরেন মুমিনুল হক এবং সামিট প্যাটেল।

চার-ছক্কার ফুলঝুড়িতে রানের চাকা ঘুরাতে থাকেন তারা। ১০ ওভার ৩ বলে এই জুটি থেকে আসে ১০০ রান। ২৬ বলে প্যাটেল আর ৩৮ বলে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল হক। এটা মুমিনুলের টানা দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি।ব্যক্তিগত ৫৬ রানে মুমিনুল শহীদের দ্বিতীয় শিকার পরিণত হলে ভাঙ্গে এই জুটি। তার ইনিংসে ছিল ৮টি চার এবং একটি ছক্কার মার। মুমিনুল ফিরে গেলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন প্যাটেল।

৩৯ বলে পাঁচ চার এবং ছয় ছক্কায় ৭৫ রানে সাকিব আল হাসানের বলে বোল্ড হয় প্যাটেল ।এক ওভার পর ফিরে যায় উমর আকমলও ১২ রান করে। শেষ ১২ বলে জয়ের জন্য রাজশাহীর প্রয়োজন থাকে ১২ রানের। উনিশতম ওভারে স্যামিকে নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন ডোয়াইন ব্রাভো। এই ওভার থেকে আসে মাত্র ৩ রান।শেষ ওভারে জয়ের জন্য রাজশাহীর প্রয়োজন থাকে ৯ রান।

ওভারের প্রথম বলেই ম্যাট কোলসের বলে সাজঘরে ফেরেন আবুল হাসান ৫রান করে। দ্বিতীয় বল থেকে এক রান নিয়ে ফরহাদ রেজাকে স্ট্রাইক দেয় মেহেদি হাসান মিরাজ। তৃতীয় বলে চার মেরে ডানহাতি এই অলরাউন্ডার পঞ্চম বলে নিয়ে নেন সিঙ্গেল। পরের বলে মিরাজের ব্যাট থেকে আসে আরেকটি চারের মার। আর দলকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে।

Related posts