Advertising
hemel
Advertising
hemel

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে ন্যাড়া করলেন স্বামী

 অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কের সন্দেহে স্ত্রীর হাত পা বেঁধে প্রচন্ড মারধরের পর মাথা ন্যাড়া করে দিল স্বামী৷ গুরুতর জখম স্ত্রী আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷ স্ত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে খুনের চেষ্টার অভিযোগে গতকাল স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ৷

অমানবিক ও পাশবিক এই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুরের দত্তপাড়ায়৷ অভিযুক্ত স্বামীর নাম বাপী মণ্ডল৷ বাড়ি বারুইপুরের সীতাকুণ্ডুতে৷নির্যাতনের শিকার স্ত্রী আলপনার বাড়িও বারুইপুরের কল্যাণপুরে৷

বারুইপুর থানার পুলিশ সূত্রে খবর, ২জনেরই এটি তৃতীয় বিয়ে৷ আলপনার আগের পক্ষের সন্তান নিয়েই বাপীর সঙ্গে ভাড়া ঘরে সীতাকুণ্ডুর বাড়ি ছেড়ে এসে দত্তপাড়ায় ভাড়া থাকতো৷ বাপী ছয় মাস আগে মুম্বাইতে চাকরি করতে যান৷ আলপনা সন্তানকে নিয়ে দত্তপাড়ায় ভাড়া বাসায় একাই থাকতেন৷ গত দু’দিন আগে মুম্বাই থেকে বাড়ি ফেরেন বাপী৷

পুলিশের কাছে আটককৃত স্বামী বাপি দাবি করেছে, “বাড়ি ফেরার পর স্ত্রীর আচরণে তার সন্দেহ হয়৷ সে লক্ষ্য করে, লুকিয়ে অন্য কোনো ছেলের সঙ্গে মাঝে মধ্যেই আলপনা মোবাইল ফোনে গল্প করছে৷ বাপী জানতে চাইলে এড়িয়ে যায়৷” অন্যদিকে পুলিশকে আলপনা সোমবার সন্ধ্যায় এফআইআর করে জানায়, বাড়ির লোকের সাথে ফোনে কথা বলায় মিথ্যা অভিযোগে চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করে৷ প্রতিবেশীরা প্রথমে থামিয়ে দিলেও পরে ফের ঘরের দরজা বন্ধ করে হাত-পা বেঁধে মারধর করে মাথার চুল কেটে ন্যাড়া করে দেয়৷

এফআইআর-এ আলপনা দাবি করে, আমাকে খুনের চেষ্টা করেছিল বাপী৷ এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, দু’জনের মধ্যে প্রায়ই সাংসারিক অশান্তি রাগিয়ে থাকতো।

পুলিশের নিকট অভিযোগ আসতেই বাপীর সন্ধানে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ৷ মঙ্গলবার দুপুরে বারুইপুরের মদারাট কালীতলা থেকে বাপী মন্ডলকে আটক করেছে পুলিশ৷ আজ বুধবার জামিন অযোগ্য ধারা দিয়ে তাকে বারুইপুর আদালতে পাঠাচ্ছে পুলিশ৷

Related posts