Advertising
hemel
Advertising
hemel

রাজধানী ঢাকায় পৌঁছেছে শহীদ কাদরীর মরদেহ

প্রয়াত কবি শহীদ কাদরীর মরদেহ দেশের রাজধানী ঢাকায় পৌঁছেছে। বুধবার সকাল ৯টার সময় কবির মরদেহবাহী ফ্লাইট (এমিরেটস) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। তারআগে ভোরে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তার স্ত্রী নীরা কাদরী, কবিপুত্র আদনান কাদরী এবং পারিবারিক বন্ধু সাবিনা হাই উর্বি রাজধানী ঢাকায় পৌঁছান। বিমানবন্দরে তাদের সাথে কবির মরদেহ গ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ওয়েজ ওনার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রতিনিধিরাও সেখানে উপস্থিত রয়েছেন। অপরদিকে বুধবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১১টায় সদ্যপ্রয়াত কবি শহীদ কাদরীর মরদেহ বাংলা একাডেমিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। তারপর সাড়ে ১১টায় কবির মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে বেলা ১২টা পর্যন্ত কবির মরদেহ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। রোববার (২৮ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কবি শহীদ কাদরী (৭৪) নিউ ইয়র্কের নর্থশোর বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

কবির বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। উচ্চ রক্তচাপ ও জ্বর নিয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সাত দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। ১৯৪২ সালের ১৪ই আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন কবি এবং লেখক শহীদ কাদরী। তিনি একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বেশ কিছু পুরস্কার পেয়েছেন। উত্তরাধিকার (১৯৬৭), তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা (১৯৭৪), কোথাও কোনো ক্রন্দন নেই, আমার চুম্বনগুলো পৌঁছে দাও (২০০৯) শহীদ কাদরীর কয়েকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ১৯৪৭-পরবর্তীকালের বাংলা সংস্কৃতির বিখ্যাত কবিদের একজন শহীদ কাদরী নাগরিক-জীবন-সম্পর্কিত শব্দ চয়ন করে নাগরিকতা ও আধুনিকতাবোধের সূচনা করে বাংলা কবিতায় সজীব বাতাস বইয়ে দিয়েছেন।

তিনি আধুনিক নাগরিক জীবনের প্রাত্যহিক যন্ত্রণা এবং ক্লান্তির অভিজ্ঞতাকে কবিতায় রূপ দিয়েছেন। তার কবিতায় অনুভূতির গভীরতা, চিন্তার সুক্ষ্ণতা এবং রূপগত পরিচর্যার পরিচয় সুস্পষ্ট।

Related posts