Advertising
Advertising

ওয়ানডেতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ২৫৫ রানে পাকিস্তানের জয়

ব্যাট আর বলের চমৎকার পারফরম্যান্সে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ২৫৫ রানে জয় পেয়েছে পাকিস্তান। রানের দিক থেকে এই সংস্করণে এটাই পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়। বৃহস্পতিবার ডাবলিনের দ্য ভিলেইজে বৃষ্টির জন্য ম্যাচের দৈর্ঘ্য নেমে আসে ৪৭ ওভারে। তাতে টস হেরে ৬ উইকেটে ৩৩৭ রান করে পাকিস্তান। এর জবাবে ২৩ ওভার ৪ বলে ৮২ রানে অলআউট হয়ে যায় আয়ারল্যান্ড। বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই হোঁচট খায় স্বাগতিকরা। মোহাম্মদ আমিরের করা দ্বিতীয় বলেই বোল্ড হয়ে যান পল স্টার্লিং। এক বছরের বেশি সময় পরে ওয়ানডে খেলতে নেমে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেন গুল। তার সুইংয়ের উত্তর জানা ছিল না এড জয়েস, অধিনায়ক উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড এবং কেভিন ও’ব্রায়েনের।

৩২ রানে চার উইকেট হারানো আয়ারল্যান্ড ও খেলায় ফিরতে পারেনি। বাকিটুকু সারেন দুই স্পিনার ওয়াসিম এবং নওয়াজ। সর্বোচ্চ ২১ রান করা গ্যারি উইলসনকে ফেরান নওয়াজ। চার বলের মধ্যে শেষ তিনটিসহ মোট ৫ উইকেট নেন ওয়াসিম। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট নিতে তিনি খরচ করেন ১৪ রান। পেসার গুল তিন উইকেট নেন ২৩ রানে। তারআগে টিম মুরতাঘের করা ম্যাচের প্রথম ওভারেই সুরটা ঠিক করে নেন শারজিল।

মুখোমুখি হওয়া দ্বিতীয় বলে চার, ওভারের শেষ বলে বোলারারের মাথার ওপর দিয়ে হাঁকান ছক্কা। সেই শুরু, ফিরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তুলোধুনা করেছেন স্বাগতিক বোলারদের। ২৭ তম জন্মদিনের চার দিন পর শারজিল পেলেন ওয়ানডে প্রথম শতকের দেখা। চার হাঁকিয়ে ৬১ বলে ছুঁলেন তিন অঙ্ক। তারপর আরও চড়াও হলেন আইরিশ বোলারদের ওপর। লেগের দিকে বল পেলে ছিলেন ক্ষমাহীন, করেছেন কিছু চমৎকার পুলও।

দশম ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে শেষ হয় তার ১৫২ রানের ইনিংস। ৮৬ বলের বিধ্বংসী ইনিংসে আছে ১৬টি চারও। এই ইনিংস খেলার পথে মোহাম্মদ হাফিজের (৫৯ বলে ৩৭) সঙ্গে ৯০ এবং বাবর আজমের সাথে ৯৬ রানের দুটি দারুণ জুটি উপহার দিয়েছেন তিনি। প্রায় দুই বছর পর শারজিল খেললেন ওয়ানডে। অভিষেকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬১ রানের চমৎকার ইনিংস খেলার পর যেন ব্যাটিংটাই ভুলে গিয়েছিলেন তিনি। পরের ১০ ম্যাচে সব মিলিয়ে করেন ১৩৩ রান। আবার ফেরাটা শতকে রাঙিয়ে রাখলেন তিনি।

শারজিল ফিরে যাওয়ার পর মালিক এবং অভিষিক্ত নওয়াজ পাকিস্তানকে সাড়ে তিনশ’ রানের কাছাকাছি নিয়ে যান। ষষ্ঠ উইকেটে এই দুই জনে গড়েন ১০৫ রানের জুটি। ৩৭ বলে ৬টি চার এবং দুটি ছক্কায় ৫৭ রানে অপরাজিত থাকেন মালিক। ৫০ বলে ৫৩ রান করে ফিরে যান অলরাউন্ডার নওয়াজ। ৬২ রানে চার উইকেট নিয়ে আয়ারল্যান্ডের সেরা বোলার ব্যারি ম্যাকার্থি। আগামী শনিবার একই ভেন্যুতে হবে দ্বিতীয় এবং শেষ ওয়ানডে।

Related posts