Advertising
hemel
Advertising
hemel

না ফেরার দেশে সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবী

মহাশ্বেতা দেবী একজন বাংলা কথাসাহিত্যের এক মহান সাহিত্যিক। চলে গেলেন না ফেরার দেশে। অনেকদিন অসুস্থতার সাথে লড়াই করে কলকাতার একটি স্থানীয় হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। ভারতের এনডিটিভি, আউটলুক এবং আনন্দবাজার পত্রিকার সংবাদে বলা হয়, বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টা ১৬ মিনিটে লেখিকার মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিন তিনি হাসপাতালেই ছিলেন। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যার সঙ্গে শ্বাসকষ্টেও ভুগছিলেন মহাশ্বেতা দেবী।

তার মৃত্যু সংবাদে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কলকাতার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটারে এক শোকবার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘ভারত এক মহান লেখিকাকে হারাল, বাংলা এক মহান মাকে হারাল। আমি এক জন ব্যক্তিগত পথপ্রদর্শককে হারালাম। মহাশ্বেতা দি শান্তিতে থাকুন। শুধু বাংলায় নয়, বর্তমান সময়ে ভারতের সবচেয়ে প্রবীণ সাহিত্যিকদের অন্যতম ছিলেন মহাশ্বেতা দেবী। সম্পূর্ণ দেশের সাহিত্যিকদের মধ্যে সমসাময়িককালে সবচেয়ে সম্মানিত নামগুলির অন্যতমও ছিলেন তিনি। জ্ঞানপীঠ, পদ্মশ্রী, পদ্মবিভূষণে সম্মানিত হয়েছিলেন মহাশ্বেতা।

ভারতের এবেলা পত্রিকার সংবাদে বলা হয়, ১৯২৬ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭৯ সালে ‘অরণ্যের অধিকার’ উপন্যাসের জন্য সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পান মহাশ্বেতা। তার বিখ্যাত উপন্যাসগুলির মধ্যে আছে ‘হাজার চুরাশি মা’, ‘অগ্নিগর্ভ’-সহ একাধিক উপন্যাস। তাছাড়াও পদ্মশ্রী, জ্ঞানপীঠ, রামন ম্যাগসেসাই পুরস্কারসহ একাধিক সম্মানে ভূষিত হন তিনি। রাজ্য সরকারও তাকে পদ্মভূষণ ও পদ্মবিভূষণ সম্মান জানায়।

তার উপন্যাস অবলম্বনে ‘রূদালি’, ‘হাজার চুরাশি মা’-র মতো সিনেমা হয়েছে। সিঙ্গুর, নন্দীগ্রামের মতো রাজনৈতিক আন্দোলনেও যুক্ত হয়েছিলেন তিনি। নাট্যকার বিজন ভট্টাচার্যের সাথে বিয়ে হয় তার। তার ছেলে সাহিত্যিক নবারুণ ভট্টাচার্য ২০১৪ সালে প্রয়াত হন।

Related posts