Advertising
hemel
Advertising
hemel

ওকে দেখলেই হাই ফাস্টেস্ট বলে ডাকি: রুবেল

ওকে দেখলেই হাই ফাস্টেস্ট বলে ডাকি: রুবেল

নিজেদের মধ্যে কতো কি নামে তো ডাকা হয়। ক্রিকেটেও রেওয়াজটা চালু রয়েছে। ড্রেসিংরুমে মজার মজার নামে ডাকা হয় সতীর্থদের। তাসকিন আর রুবেলর কথায় ধরুন না! বাংলাদেশ দলের এই মুহূর্তে সবচেয়ে দ্রুতগতির দুই বোলার কে, সেটা নিয়ে তাদের মধ্যে চলে হাসিঠাট্টা। তাসকিনকে তো ‘হাই ফাস্টেস্ট’ বলে ডাকে জ্যেষ্ঠ রুবেল। দলের সব আলো যখন মুস্তাফিজ কেড়ে নিয়েছে, তখনও খানিকটা আলো এই দুই ‘ফাস্ট’ বোলারের উপর গিয়ে পড়ে। এই মুহূর্তে তারা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ গতির বোলার। এটা নিয়ে সব সময় আলোচনা চলে দুজনের মধ্যে। কে কত জোরে বল করতে পারে, সেটার প্রতিযোগিতা মাঠে হলেও মাঠের বাইরে একজন আরেকজনকে এগিয়ে রাখে। এক সাক্ষাতকারে এমনটাই জানিয়েছে রুবেল হোসেন।

বলেছে, তাসকিন দেখলেই আমি ‘হাই ফাস্টেস্ট’ বলে ডাকি। আর ও জবাবটা দেয় এরকম, ‘না, না, আমি না, আপনি।’ জোরে বল করার প্রতিযোগিতা থাকলে অবশ্য ভালোই। বাংলাদেশের এরকম বোলার আরো দরকার। আমি চাই নতুন নতুন ছেলেরা আরোও আসুক। ইনজুরি কাটিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ দিয়ে মাঠে ফিরেছেন তিনি। ১৫ ম্যাচে খেলে নিয়েছে ১৯ উইকেট। এমন পারফরম্যান্সকে ঠিক ‘রুবেল সুলভ’ বলা যায় না, তার পরেও চোট কাটিয়েই এমন পারফরম্যান্সকে এগিয়েই রাখছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে রুবেল বলেছেন, ‘ইনজুরি থেকে উঠে ১৫টি ম্যাচ খেলা কম কথা, অনেক দিন পর ফেরায় প্রিমিয়ার লিগটা আমার জন্য চ্যালেঞ্জেরও ছিল। জাতীয় দলে যাদের পারফরম্যান্স অনুজ্জ্বল এবং তরুণ ক্রিকেটার, সবার জন্যই এই আসরটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদিও ১৫ ম্যাচে ১৯ টি উইকেট পাওয়াটা খুব বড় কিছু নয়। খেলা শেষে মানুষ যেহেতু উইকেট গোনে, তাই এটা হয়তো চোখে লাগার মতো কিছু নয়। তবে ইকোনমি বেশ ভালো ছিল আমার। সেই সাথে যেভাবে বোলিং করেছি, তাতে আমি নিজে সন্তুষ্ট।

Related posts