Advertising
hemel
Advertising
hemel

ডেথ ওভারের ‘রাজা’ মুস্তাফিজুর রহমান

স্লোয়ার, কাটার, ইয়র্কার সকল ক্ষেত্রেই যেন দিনে দিনে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন সবাইকে। অভিষেকের এক বছর পরেও বল হাতে এখনো সেই ‘অচেনা’ মুস্তাফিজ। আর মুস্তাফিজকে নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করেও উদঘাটন হচ্ছে না তার বোলিংয়ের রহস্য। প্রথম থেকেই বিস্ময় ছড়িয়ে আসা বাংলাদেশের বাঁ-হাতি এই পেসার এখনো বিস্ময়ের মোড়কে রয়েছেন।

সারা বিশ্বের বাঘা বাঘা সকল ব্যাটসম্যানদের কাছে যমদূত হয়ে উঠেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। তার বলে রান নিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে সকল ব্যাটসম্যানদের। বিশেষ করে শেষের ওভারগুলোতে ব্যাপক ভয়ঙ্কর রূপে উপস্থিত হন মুস্তাফিজুর রহমান। ইনিংসের শেষ সময়ে ব্যাটসম্যানদের রান নেয়ার প্রবণতা অনেক বেড়ে যায়। অন্য সকল বোলাররা যেখানে পরপর বাউন্ডারি খেতে থাকেন ডেথ ওভারগুলোতে, আর সেখানে মুস্তাফিজ অন্য সবার থেকে আলাদা।

গত বছরের এপ্রিলে মুস্তাফিজুর রহমানের অভিষেকের পর এখনও পর্যন্ত ৩২ জন বোলার কমপক্ষে ২৫ অথবা তার বেশি ওভার বোলিং করেছে শেষ ওভারগুলোতে। শেষ পাঁচ ওভারে মুস্তাফিজুর রহমানের ইকোনমি মাত্র ৬.৮২। যেটা অন্য সবার থেকে অনেক কম। আর মুস্তাফিজুর রহমানের পরেই রয়েছেন ইংল্যান্ডের মিশেল ক্লাইডন। মিশেলের ইকোনমি ৭.৫৬। তাছাড়াও টি-টোয়েন্টির সেরা বোলার ধরা হয়েছে লাসিথ মালিঙ্গাকে। সেই মালিঙ্গারও শেষ পাঁচ ওভারে ইকোনমি ৭.৮৮।

যেখানে লাসিথ মালিঙ্গার গড়ে ৬.৭৮ বলে একটি করে বাউন্ডারি মারে ব্যাটসম্যান সে জায়গায় মুস্তাফিজকে গড়ে ৯.২৮ গড়ে একটি বাউন্ডারির মার পারেন ব্যাটসম্যানরা। মুস্তাফিজের সঙ্গে অনেকাংশেই তুলনা করা হয় ইন্ডিয়ান পেসার জাসপ্রিত বুমরাহর। আর সেই বুমরাহর ডেথ ওভারে গড়ে ৬.০৯ বলে একটি করে বাউন্ডারি মারতে পেরেছে ব্যাটসম্যানরা।

Related posts