Advertising
hemel
Advertising
hemel

আইপিএলে ঝলমলে অভিষেক হলো মুস্তাফিজের

ব্যাটিং স্বর্গে আলোরিত হয়েছিল বেঙ্গালুরুর এম চেন্নাস্বামী স্টেডিয়াম। ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি, এবি ডি ভিলিয়ার্স, শেন ওয়াটসনদের ব্যাটিং তান্ডবে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বোলাররা। ব্যতিক্রম শুধুমাত্র একজন। বিরাট কোহলি- এবি ডি ভিলিয়ার্স এবং ওয়াটসনদের ঘোল খাইয়েই ছাড়লেন। আর সেই বোলারটির নাম মুস্তাফিজুর রহমান। আইপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচেই আলোচিত ভাবে অভিষেক হলো বাংলাদেশের ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজের।

অভিষেক ম্যাচেই সকলের প্রশংসা নিলেন তিনি। তার সাতে সাথে পকেটে পুড়েছেন ভিলিয়ার্স এবং ওয়াটসনের মতো ভয়ঙ্কর দুই ব্যাটসম্যানের আবার এর সাথে সাথে উইকেটও। মঙ্গলবার রাতে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের চতুর্থ ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ সামনাসামনি লড়াইয়ে মাঠে নামে। স্কোয়াডে একের অধিক পেসার থাকলেও মুস্তাফিজকে নিয়েই মাঠে নামে টস জয়ী হায়দ্রাবাদ।

আইপিএলে এটা কাটার মাস্টার মুস্তাফিজের অভিষেক ম্যাচ। তবে বল হাতে ভয়ডরহীন মূর্তিতে দেখা গেল মুস্তাফিজকে। ম্যাচে দুই স্পেলে বোলিং করেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। শুরুর দিকে ২ ওভারে কোনো উইকেট না পেলেও দিয়েছিলেন শুধুমাত্র ১০ রান। সেটা এমন একটা সময় যখন দলের অপর দুই পেসার আশিষ নেহরা এবং ভুবনেশ্বর কুমার কোহলি-ভিলিয়ার্সের পিটুনি খেয়ে দিশেহারা অবস্থা। তবে মুস্তাফিজকে যেন বুঝেই উঠতে পারেননি কোহলিরা।

ইনিংসের ১৮তম ওভারে দ্বিতীয় অবস্থায় মুস্তাফিজকে বোলিংয়ে ফেরান হায়দ্রাবাদের অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। বোলিং এসেই কাটার জাদু দেখিয়ে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। ওই ওভারের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বলে তুলে নেন ভিলিয়ার্স এবং ওয়াটসনের উইকেট দুটি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচে ৪ ওভার বল করে ২৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ।

আইপিএল অভিষেকটা ঝলমলে হয়ে থাকল কাটার মাস্টার মুস্তাফিজের। এই ম্যাচে হায়দ্রাবাদের সবথেকে কম রানে দেওয়া বোলারটি হলেন মুস্তাফিজ। মুস্তাফিজ যখন মাত্র ৬.৫০ গড়ে রান দিয়েছেন; সে সময় আশিষ নেহরা ৯.৬৯, হেনরিকস ১০.২৫, ভুবনেশ্বর কুমার ১৩.৭৫, করন শর্মা ১৪.২৫ ও আশিষ রেড্ডি ১৩.৬৩ গড়ে রান দিয়েছেন। চেন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে হায়দ্রাবাদের জার্সিতে বল হাতে অনন্য হয়ে থাকলেন মুস্তাফিজুর রহমান।

Related posts