Advertising
Advertising

আমার খালাই আমাকে তার স্বামীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করল

আমি বর্তমানে এক দুর্বিসহ যন্ত্রণায় ভুগছি। আমি যখন খুব ছোট তখন আমার মা মারা যান। আমার ছোট খালা আমাকে দেখা শুনার জন্য নিয়ে আশে তার বাসায়। তখন আমার বয়স ছিল ৮ বছর। আমার খালার কোন বাচ্চা ছিলো না। তাই আমাকে অসম্ভব ভালবাসতো। আমার খালু নামাজ পরত ৫ ওয়াক্ত কিন্তু তার একটি বাজে অভ্যাস ছিল। সেটি হলো তিনি  ড্রিঙ্ক করতেন। সাথে আমার খালাও ড্রিঙ্ক করতেন। আমি প্রথমে এই বোতলগুলো দেখে বুঝতাম না। খালা পাশের একটি স্কুলে আমাকে ভর্তি করে দেয়।

আমাকে আমার খালা বছরে ২ বার আমাদের বাড়িতে নিয়ে যেত। আমি যখন ৮ম শ্রেনিতে পড়ি তখন আমার খালার মধ্যে পরির্বতন দেখতে পাই। খালা আমাকে মদ খেতে বলত। মদ খাবনা বলে আমি অনেক কান্নাকাটি করি কিন্তু কোন কাজ হয় না। আমি মদ না খেলে আমাকে অনেক মারধর করত। আমি ভয়ে একটু একটু করে মদ খাওয়া শুরু করি। একদিন রাতে খালা আমাকে বলল খালুর সাথে এক বিছানায়  ঘুমাতে। আমি খালার এই কথা শুনে অবাক হয়ে যাই। আমার মায়ের মত খালা একি বলছে আমাকে?

আমি সে দিন কাঁদতে কাঁদতে আমার রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেই। এরপর কয়েক দিন খালা আমাকে আর মদ খেতে ডাকেনি। হঠাৎ একদিন রাতে খালা আমাকে অবারও জোর করে মদ খাওয়ার জন্য। মনে মনে খালার উপর প্রচন্ড রাগ হয়। রাগের বসে তাদের সাথে বসে ৩ বোতল শেষ করি। এক সময় মদ খেতে খেতে আমি নিস্তেজ হয়ে পড়ি। আমার একটু একটু হুশ ছিলো। আমি বুঝতে পারছি আমার শরীরে কে যেন হাত বুলাচ্ছে। দেখতে চেষ্টা করলাম। তারপর দেখলাম খালু আমাকে স্পর্শ করছে। আমি সেদিন নিজেকে কিভাবে সেভ করি জানি না। তারপর তিন দিন খালু ব্যবসার কাজের জন্য বাহিরে যায়। আর আমার খালা আমাকে বাসার বাইরে বের হতে দেয় না।

কয়েকদিন পর খালু বাসায় ফিরে আসলে খালা আবারও আমাকে ডাকে মদ খাওয়া জন্য। সেদিন রাতে আমি আমার রুমে মদ খাই। মদ খাওয়া শেষ করতেই ঘুমিয়ে পড়ি। আমার আর কিছু খেয়াল ছিলো না। সকালে ঘুম ভেঙে দেখি আমার বিছানার সবকিছু এলোমেলো! আমার শরীরে কোন কাপড় ছিলনা। আমি খালাকে জিজ্ঞাসা করি মদের সাথে কি ছিল, আর আমার অবস্থা এই রকম কেন? খালা আমার কথার কোন জবাব দিল না। এই বাসা থেকে বের হওয়ার কোন উপায় ছিল না। এরপর প্রায় দুই মাস অতিক্রম করতেই আমার শরীরের কিছু পরিবর্তন আমি লক্ষ্য করি। আমার পিরিয়ড ব্ন্ধ হয়ে যায়। তখন আমি ভীষন চিন্তাই পরি। সামনে আমার এস,এস,সি ফাইনাল পরীক্ষা। আমি খালাকে এই বিষয়টি জানায়, সে বলে আমি প্রেগনেন্ট হয়েছি। আমি এ কথাটি শুনে সুইসাইড করব বলে ভাব ছিলাম।

আমার জোড়াজুড়িতে সে আমাকে বুঝায় আর আমাকে একটি ঔষুধ এনে দেয়। যা খেলে আমার সমস্যা সমাধান হবে কিন্তু সেই ঔষুধে কোন কাজ হয় না। আমি তখন সিদ্ধান্ত নেই বাড়িতে বলার কিন্তু ডাইনি খালা বলে বাচ্ছাটা হবার পর তাকে দিয়ে যেন চলে যাই। কিন্তু আমি তাতে রাজি হই না। অবশেষে ডাইনি সিদ্ধান্ত নেয় আমাকে এবর্শন করানোর। তারপর আমার এবর্শন হয়। এরপর আমি আমার বাবা বাড়ি চলে আসি। আমার সৎ মা কে সব খুলে বলি কিন্তু প্রথমে কেউ বিশ্বাস করেনি। কিন্তু আমার অবস্থা দেখে এবং এবর্শন এর লক্ষণ দেখে আমার সৎ মা বিশ্বাস করে। 

আমার সৎ মা আমাকে খুব ভালবাসত। আমার মন ভাল করার জন্য সৎ মা আমাকে নিয়ে ঘুরতে যাবে বলে ঠিক করে। আমি যেতে রাজি হয়ে যাই। আমি টের পাই নি তার মনে অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল। আমার সৎ মা আমাকে দিয়ে অনৈতিক কাজ শুরু করায়। এরপর থেকে আমার পরিচয় কল গার্ল। এখন আমার বিছানায় আসে অনেক নামী-দামী লোক। সৎ মায়ের এই খপ্পর থেকে আমি আজও বাহির হতে পারিনি। কিন্তু আমি এখন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চাই। আমি কি করব এখন, আমার করনীয় কি?

 

Related posts