Advertising
Advertising

দেশের মানুষ মনে রাখে, এমন কিছু করতে চাই

কয়েকদিন আগে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপের ৩য় সেরা বানিয়ে শেষ করেছেন অভিযান। টুর্নামেন্টের শেষ দিনে স্বীকৃতি পেলেন টুর্নামেন্ট সেরার । ১২ উইকেট, ২৪২ রান আর দারুণ অধিনায়কত্বের সুবাদে এই পুরস্কারটা প্রাপ্যই ছিল মেহেদী হাসান মিরাজের। এইসব স্মৃতি নিয়ে জীবনের একটা পর্ব শেষ করে বাড়ির পথে রওনা দিয়েছেন বাংলাদেশ যুব দলের সর্বশেষ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।

এই সমাপ্তির ভেতর দিয়ে নতুন এক জীবনে, নতুন এক চ্যালেঞ্জে প্রবেশ করলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। কি সেই চ্যালেঞ্জ? মেহেদী হাসান মিরাজের কাছে সেই চ্যালেঞ্জটা হল জাতীয় দলে খেলার চ্যালেঞ্জ। এ বিষয়ে মিরাজ বলেন, আমার এখন নিজের চিন্তা থাকবে শীর্ষ পর্যায়ের ক্রিকেট খেলার। সবার স্বপ্ন থাকে জাতীয় দলে খেলার, তা আমারও আছে। কিন্তু জাতীয় দলে খেলার জন্য পরিপূর্ণ ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আমার সামনে অনেক সময় আছে, আর সময়টা আমি কাজে লাগিয়ে  নিজেকে একজন পরিপূর্ণ ক্রিকেটার করতে চাই। তবে, জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানোর লড়াইটা যে বেশ শক্ত সেটা ভাল জানা আছে মেহেদী হাসান মিরাজের।

মিরাজ বলেন, জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন কার না থাকে তবে এর জন্য অনেক পরিশ্রম দরকার হয়। আমি চাই নিজেকে আরও একজন পরিণত ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে তুলতে।‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’ হওয়া কতোটা বড় ব্যাপার আপনার জন্য? – এমন এক প্রশ্নের জবাবে যুবাদের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, বেশ বড়। এখানে ১৬টি দল খেলছে, আর সেখানে আমি সেরার পুরস্কার পেয়েছি। আর এটা শুধু আমার নিজের জন্য না; আমি বলবো এটা পুরো দেশের অর্জন। আর বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে ভালো খেলাটা অনেক আনন্দের ব্যাপার।

পুরো বিশ্ব দেখেছে বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে এবং প্রতিদিন উন্নতি করেছে আর তাই এটা খুব আনন্দের বিষয়। সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে বিদায় নেওয়া মেহেদী হাসান মিরাজ এখন চোখ রাখছেন দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের দিকে। সব ঠিক ঠাক থাকলে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে বিসিএলে মেহেদী হাসান মিরাজ দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে খেলবেন। এত কিছুর মাঝেও বিশ্বকাপের ট্রফি না জিততে  পারার আক্ষেপও শোনা গেল মেহেদী হাসান মিরাজের কণ্ঠে।

মেহেদী হাসান মিরাজ বললেন, ‘আমাদের দলটা বিশ্বকাপের যোগ্য দাবিদার ছিল। তবে সেমিফাইনালে ছোট কিছ ভুল সেটা হতে দেয়নি। আমরা  খুব ভাল দল ছিলাম বলে আমাদের উপর প্রত্যাশাটা বেশি ছিল। সেই প্রত্যশাটা মেটাতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। সব দু:খ ভুলে মেহেদী হাসান মিরাজ চোখ রাখছেন সামনের দিকে। আগামী দিনগুলোর জন্য শোনালেন আশার বানী, তিনি বলেন, আমাদের অর্জনে আমি কখনোই সন্তুষ্ট নই। আমি  আরো সাফল্যের চূড়ায় উঠতে চাই, এমন কিছু করতে চাই যা দেখে দেশের মানুষ মনে রাখে আমাকে! সেদিনের অপেক্ষায় নি:সন্দেহে দিন গুনছে গোটা বাংলাদেশের মানুষ!

Related posts